Skip to main content

Posts

এক্সিস্টেনশাল ক্রাইসিস। সাই-ফাই থ্রিলার মিস্ট্রি। গল্প ০৩

  #গল্প_০৩  গল্পের নাম: Existential Crisis  জনরা:সাই ফাই, মিস্ট্রি  প্লট : মানুষ তার অস্তিত্ব রক্ষায় বসবাস করে মহাকাশে। কোনো বসবাস উপযোগী গ্রহ পাওয়া যাচ্ছে না।এদিকে স্পেস স্টেশনের অক্সিজেনও শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় একজন মাত্র বিজ্ঞানী আছেন যিনি মানব জাতিকে বাঁচানোর সম্ভাব্য উপায় জানেন।সেও নিখোঁজ। একজন ডিটেক্টিভকে যেভাবেই হোক সেই বিজ্ঞানীকে খোঁজে বের করতে হবে।                Existential Crisis সাল ২১৯৬। প্রায় ১০০ বছর হতে চলল দৈত্যাকৃতির স্পেসস্টেশন গুলোতে  মানুষ বাস করছে।পৃথিবী এখন অনুর্বর।মাটিতে আর ফসল হয়না বললেই চলে।সূর্যও যেন প্রচন্ড রেগে আছে,তাপের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।পৃথিবী হয়ে যাচ্ছে বসবাসের অনুপযোগী।  কিছু মানুষ তবুও পৃথিবিতেই থেকে যায়।  এখন মানব সভ্যতায় আলাদা কোনো দেশ নেই। দুইটা গ্রুপ আছে মানবজাতির। আর্থ মেন,যারা পৃথিবিতে থাকে, আর স্পেস মেন যারা বিভিন্ন স্পেসস্টেশনে থাকে। সবগুলো স্পেসস্টেশন নিয়ন্ত্রণ করে ‘স্পেস জেড’ নামের সবচেয়ে বড় স্টেশনটা। মহাকাশের শূন্যতায় অসহায়ের মত ভেসে থাকা স্পেস জেডে ২ টি স...
Recent posts

রি:পার্ট ০১:মার্ডার অন দি শিপ।পর্ব ০১।গল্প ০২

   গল্পের নাম : Ri part 1: Murder on the ship (#পর্ব_০১) জনরা: রহস্য, থ্রিলার "তো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।লোকটার পরিচয় জানা গেছে?” “ না।লোকটা একা ছিলো কেউ চিনে না তাকে” WAVEs A11 জাহাজের ছোট্ট একটা কেবিনে দাঁড়িয়ে ওসি সাহেব আর এই জাহাজের ক্যাপ্টেন মোফাজ্জল হক কথা বলছে।ছোট্ট কেবিনটাতে আরো ৩জন আছে।সাব ইন্সপেক্টর,একজন কন্সটেবল আর চতুর্থ ব্যাক্তিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দুইতলাবিশিষ্ট এই জাহাজের নিচতলায় সব কেবিন গুলো পাড় হয়ে একটা সিড়ি পাওয়া যায়। সিড়ি বেয়ে নেমে সোজা সরু করিডোর দিয়ে শেষের দিকে গেলে এই ছোট্ট স্টোররুমের মত কেবিন। কেবিনে ঢুকে ডানদিকের ফাকা জায়গাটায় একটা চাদর বিছানো। তার উপর একটা মৃতদেহ! হাত পা ছড়ানো, মুখে দাড়ি।কিন্তু সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বেমানান বিষয়টা হবে-বৃদ্ধের বাম চোখের জায়গায় গর্তটা।গুলির বেগ চোখ ও মস্তিষ্ককে ঝাঝড়া করে দিয়ে বেরিয়ে গেছে।ফ্লোরে মগজ আর রক্তের ছিটকে থাকা অংশ দেখেই এটা আন্দাজ করা যায়। ওসি সাহেব রুমটা ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করছে। কিছু একটা খুজছে সে। পাওয়া গেলনা।পাজলের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ টুকরোটাই মিসিং!ওয়েপন অব দি মার্ডার! “ লাশ প্রথম কে খুজে পেয়ে...

You Are My Daffodil। রোমান্টিক থ্রিলার গল্প।গল্প ০১

 #গল্প_০১ গল্পের নাম: You Are My Daffodil জনরা: রোমান্টিক,থ্রিলার  লেখক: ইউসুফ তুরাগ প্লট: NPD (Narcissistic personality Disorder) এ ভোগা এক যুবক, ইরাশ, তার পছন্দের নারী,রিহাকে মেরে ফেলতে বাসে ওঠে। ইরাশ কেন তাকে মেরে ফেলতে চায়, শেষপর্যন্ত হত্যা করতে পারবে কি না,এর সাথে ড্যাফোডিল আর গ্রিক রুপকথার সম্পর্ক  নিয়ে এই গল্প। YOU ARE MY DAFFODIL চুপচাপ সিটে বসে আছে ইরাশ। বাসে ওঠার পর থেকেই একভাবে বসে আছে।পরনে ঢিলেঢালা সাদা শার্ট আর জলপাই রঙের কার্গো প্যান্ট। হাতে একগুচ্ছ ড্যাফোডিল। প্যান্টের সামনের পকেটে দুটো পকেট স্প্রে। মাঝেমাঝে গোলচশমার ফাক দিয়ে পাশে জানলার ধারের সিটে বসে থাকা মেয়েটার দিকে তাকাচ্ছে।হাতে থাকা ড্যাফোডিলগুচ্ছে স্প্রে করে মেয়েটাকে ঘ্রান নিতে দিলেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে. মেয়েটার নাম রিহা। বাসের জানালা দিয়ে আগত বাতাস তার কৃষ্ণকালো চুল উড়িয়ে নিচ্ছে।কাকতালীয় ভাবে তার জামার রং আর ইরাশের হাতে থাকা ফুলের রঙ একই।হলুদ। হলুদ রঙ বসন্তকে ডেকে আনে ।আর বসন্ত আনে প্রেম.প্রেম কি? ইরাশ ভাবে।এই যে আঙুল দিয়ে রিহার এলোমোলো চুল ঠিক করার দৃশ্য দেখে তার হৃতস্পন্দন বেড়ে যাচ্ছে স...